পরীক্ষার হলেও উনারা বউ সেঁজে আসেন

অমানুষ আমি
পরীক্ষার হলেও উনারা বউ সেঁজে আসেন ।
সারারাত পড়ে পড়ে বিদ্বুষী(!) তসলিমায়
পরিণত হলেও উনারা নৈর্ব্যক্তিক এর
সেট কোড জিগান ।
নাহ্ মেয়েদের প্রতি যে আকর্ষণহীন এক
নপুংশক আমি তা বলছি না ।
স্যাটেলাইটের মত আকর্ষণীয় বস্তু
খুঁজতে থাকা দু’চোখ শত সংযমের পরও
কখনও কখনও গিয়ে আটকে যায় ঐ নিষিদ্ধ
মাদকটার উপরে ।
ফিরিয়ে নিই চোখ ।
মুসলিম দেশে আমাদের কি এক
নয়নাভিরাম সংস্কৃতি । পাশ্চাত্য
পোষাকে-পাশ্চাত্য মেকাপে আবৃত মা-
বোনেরা প্রায় অর্ধ-উলঙ্গ
হয়ে বেরুলে কোন নারীবাদি মহাপুরুষ
যদি কহেন তাহাদের আদিম
পশুত্বটা জাগিয়া উঠেনা ,তবে তাহারা ডাক্তারের
শরণ লইতে পারেন ।
যাই হোক আমার এক অজ্ঞাত গুরুদেব
বলিয়াছিলেন-
“Ladies are the most dangerous
drugs.”
এরা যেমন মা-বোনের রূপে স্নেহ-
ভালবাসা বিলিয়ে দেন ।
স্ত্রী হয়ে সাথী হন পুরুষের যাবতীয়
দুঃখ-সুখে ।ইসলামী অনুশাসন
মেনে গড়ে তুলতে পারেন আদর্শ
সমাজ ;হতে পারেন রত্নগর্ভা ।
তেমনি লোভনীয় ঢঙে ছোট-খাট পোষাক
পড়ে ;বিচিত্র অঙ্গভঙ্গি আর
শয়তানী ইশারায় উষ্কে দিতে পারেন
আমাদের পৌরুষত্বকে ।
সমাজের জন্য সর্বোচ্চ ক্ষতিকর এসব
ঘটনা নিয়ে কিছু বলা মানেই তা ব্যক্তি-
স্বাধীনতা বিরোধী আর নারীর
প্রতি আমাদের হীনমন্যতা ।
তারা পর্দা করলে বলা হবে জঙ্গি কিংবা কুতসিত
রমণী ।অনেক প্রগতিশীল তো বলেই বসেন
পর্দাপ্রথা হল চলন্ত জেলখানা আর
বোরকার নিচে শয়তান
লুকিয়ে থাকে (নাউজুবিল্লাহ) ।
নারীরা সুন্দরের প্রতিক পুষ্পের ন্যায় ।
একে লুকিয়ে রাখাটা পশ্চাতপদতা ।
আর কিছু তথাকথিত মধ্যমপন্থী বলেন ,সব
জায়গায়
ধর্মকে তুলে নিয়ে আসা অপ্রাসঙ্গিক ও
বিরক্তিকর ।
আমার বাস্তবজীবনের বন্ধুরা এই
কাতারেই পড়ে ।
আল্লাহদ্রোহী কুলাঙ্গারগুলো এভাবেই
পাশ্চাত্য সংস্কৃতি আর আধুনিকতার
নামে মরণঘাতী ব্যধি পুশ
করেছে প্রতিটি মুসলিম দেশে ।
এই মাদকতায় মুসলিম যুবক শয়তানের ধর্ম
নিয়ে গোঁড়ামীতে লিপ্ত হচ্ছে । আলোর
সন্ধান দিলেই আপনি হয়ে যাবেন গাঁড়ল
কিংবা গোঁড়া ধার্মিক ।
farrukh

হরতাল

কি চমৎকার দেখা গেল
============>>>>>>>আইন বনাম গনতান্ত্রিক অধিকার(হরতাল)<<<<<<============
হরতাল নাকি গণতান্ত্রিক অধিকার তাহলে-
১। হরতাল ডাকা আইনসিদ্ধ?!
২। হরতাল যদি আইনসিদ্ধ হয়, তাহলে দোকাপাট,অসিফ আদালত, যানবাহন এইসব বন্ধ থাকবে এটাই আইনসিদ্ধ। যদি এর ব্যতিক্রম
তাহলে আইনের লঙ্গন, শাস্তিযোগ্য অপরাধ?!
৩। হরতালে পিকেটিং করা আইনসিদ্ধ(মীর্জা ফকরুলকে বলতে শুনেছি-আমাদের পিকেটিং করতে দেওয়া হচ্ছে না)?!=আমি অবাক হয়েছিলাম
এ কথা শুনেঁ!!!
৪।হরতালের বিরুধীতা করে রাস্তায় গাড়ি নামালে,গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরোধীতা করা হয়। অতএব গাড়ি ভাংচুর করে গণতান্ত্রিক অধিকার
প্রতিষ্ঠা করতে হবে এটাও- আইনসিদ্ধ?!
৫। পুলিশ জনগনের নিরাপত্তা দিবে, তাই হরতালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের প্রতিহত করাও পুলিশের দায়িত্ব।-ইহাও আইনসিদ্ধ??!!
৬। পুলিশ হরতালকারীদের গণতান্ত্রিক অধিকারে বাধা সৃষ্টি করছে,তাই পুলিশকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করাও অধিকার প্রতিষ্ঠা করার অংশ। ইহাও আইনসিদ্ধ না হয়ে যায় কোথায়???!!!!
============>>>>>>>আইন বনাম গনতান্ত্রিক অধিকার(হরতাল)<<<<<<============
Like · · Share
  •  
     সাংঘসিক মতবাদ
     
  •  
    পাটা-পুতায় ঘসাঘসি মরিচের(জগণের) দফা শেষ

অনুবাদ গল্প: এক ফোঁটা চোনা : ইটালো কালভিনো

অনুবাদ গল্প: এক ফোঁটা চোনা : ইটালো কালভিনো

একদা একটি দেশ ছিল যেখানে দেশের মানুষ সবাই চোর।

এই দেশে রাত হলেই সবাই কালো ঢাকনিতে ঢাকা লণ্ঠন আর কিছু রামচাবি হাতে বেরিয়ে পড়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে চুরি করতে। ভোরে যখন সবাই চুরির মালে বোঝাই হয়ে বাড়ি ফেরে, তখন আবিষ্কার করে তাদের নিজেদের বাড়িও ততক্ষণে একেবারে ফকফকা।

তো এভাবেই সবাই মিলে মহাসুখে বসবাস করছিল। এখানে কেউ ঠকত না। কারন প্রত্যেকেই অন্যেরটা চুরি করত আর সেই অন্যজন আবার আরেক জনের কাছ থেকে, আর ঐ আরেক জন আবার আরও অন্য একজনের কাছে থেকে। এভাবেই চলতে থাকত দেশের শেষ লোকটি পর্যন্ত, যে কিনা দেখা যেত একেবারে প্রথম জনের কাছ থেকে চুরি করেছে। এই দেশে ব্যবসা-বানিজ্য মানেই ঠকাঠকি আর জালজোচ্চুরি -ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ে উভয়কে ঠকাতো সেয়ানে সেয়ানে। দেশের সরকার ছিল একটা ক্রিমিনাল সংগঠন যারা কিনা নিজেদের নাগরকিদের পকেট কাটত। আর নাগরিকরাও কম ঘুঘু না – সরকারকে ঠকানো ছিল তাদের প্রিয় নেশা। তো, এভাবেই ঐ দেশের জনগনের জীবন নিশ্চিন্ত সুখে-শান্তিতে কেটে যেত। কেউ ধনী ছিল না, কিন্তু কেউ দরিদ্রও ছিল না সেখানে।

এমনি এক সময়, কিভাবে আমরা জানি না, ঐ দেশে একজন সৎ লোক বসবাস করতে আসলেন। দেখা গেল রাত্রি বেলা কাঁধে বস্তা ঝুলিয়ে আর হাতে লণ্ঠন নিয়ে বেরিয়ে পড়ার বদলে এই মানুষটা বাড়িতে বসে উপন্যাস পড়তেই বেশি পছন্দ করেন।

চোরেরা আসত, কিন্তু তার বাড়িতে আলো জ্বলতে দেখে আবার ফিরে যেত।

এইভাবে বেশ কিছুকাল চলল। কিন্তু একটা পর্যায়ে নিশিকুটুম্বের দল বাধ্য হল নবাগতকে বুঝিয়ে বলতে যে, তিনি যদি কাজকম্ম কিছু নাও করেন সেটা তার ব্যাপার। কিন্তু তাই বলে অন্যদের কাজে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানোটা তার উচিৎ হচ্ছে না। একটি রাত তিনি নিজের বাড়িতে থাকা মানে হচ্ছে পরের দিন আরেকটি পরিবারকে উপোস দেয়া।

সৎ মানুষটি এহেন অকাট্য যুক্তির উপরে কোন কথাই বলতে পারলেন না। ফলে এরপর থেকে প্রতি সন্ধ্যায় তিনিও বেরুতে শুরু করলেন এবং অন্য সবার মতই বাড়ি ফিরতে লাগলেন পরের দিন সকালে। কোনরকম চুরিধারি করা ছাড়াই। সৎ মানুষ বলে এ ছাড়া আর কোন উপায়ও ছিল না তার। উনি ব্রিজটা পর্যন্ত চলে যেতেন আর তার নীচে দিয়ে বয়ে যাওয়া জলপ্রবাহ দেখে দেখে সময়টা পার করে দিতেন। তারপর সকালে যখন বাড়ি ফিরতেন, তখন দেখতেন যথারীতি তার বাড়িতে ডাকাতি হয়ে গেছে।

এক হপ্তার মধ্যেই সৎ মানুষটি কপর্দকশুন্য হয়ে গেলেন। তার বাড়িতে দেয়াল ছাড়া আর কিছু অবশিষ্ট থাকল না, আর ক্ষুধার অন্ন জোটানোও তার জন্য অসম্ভব হয়ে পড়ল। অবশ্য এটা কোন সমস্যা না, কারন এটা তো তারই দোষ। না, সমস্যা যদি কিছু হয়ে থাকে – সেটা হলো তার আচরণ। এই আচরণ সব ব্যালেন্স নষ্ট করে দিল, গুবলেট করে দিল। তিনি নিজের যা ছিল সব অন্যদের চুরি করতে দিয়েছেন, অন্য কারও কাছ থেকে পালটা কিছু চুরি না করেই। ফলে সব সময়ই একজন না একজন লোক ভোর বেলা নিজের বাড়ি ফিরে দেখতে পেত তার বাড়ি কেঊ স্পর্শ করেনি – যে বাড়িতে কিনা হিসাব অনুযায়ী ঐ সৎ মানুষটার চুরি করার কথা ছিল।

যাই হোক, কিছুকাল পরে দেখা গেল যাদের বাড়িতে চুরি হয়নি তারা অন্যদের থেকে ধনী হয়ে গেছে। এখন আর তাদের চুরি করতে ইচ্ছে করে না। অবস্থা আরও খারাপ হল, যখন দেখা গেল সৎ মানুষটির বাড়িতে যারা চুরি করতে আসছে তাদের খালি হাতেই ফিরে যেতে হচ্ছে, কারন বাড়ি একদম খালি। ফলে এই চোরেরা দিনে দিনে গরিব হয়ে যেতে থাকল।

ইতিমধ্যে, যারা এর মধ্যেই ধনী হয়ে গেছে তাদেরকে ঐ সৎ মানুষটার অভ্যাস পেয়ে বসল। তারাও রাত্রি বেলা হাঁটতে হাঁটতে ব্রিজের উপরে গিয়ে তার নীচ দিয়ে বয়ে যাওয়া পানির প্রবাহ দেখা শুরু করে দিল। এতে সমাজে সার্বিক বিভ্রান্তি আরও বেড়ে গেল। কারন এর ফলে আরও বহু লোক ধনী হয়ে গেল, এবং সেই সাথে আরও বহু লোক গরিবও হয়ে গেল।

এই অবস্থায় হলো কি, ধনী হয়ে ওঠা মানুষগুলি হঠাৎ করে টের পেল তারা যদি প্রতি রাতে ব্রিজে যায়, তাহলে তারা শিগ্‌গির ফতুর হয়ে যাবে। ভাবতে ভাবতে তাদের মাথায় হঠাৎ বিদ্যুৎ ঝিলিক দিল – “আরে, কিছু গরিবগুর্বোকে আমাদের হয়ে ডাকাতি করার জন্য পয়সা দিয়ে পুষলে কেমন হয়!”
ফলে তারা দস্তুরমত চুক্তি সম্পাদন করল, বেতন/কমিশন ইত্যাদি নির্ধারণ করল। অবশ্য স্বভাব যায় না মলে, কয়লা যায় না ধুলে – ফলে এর মধ্যেও তারা নিজেদের মধ্যে ঠকাঠকি করতে ছাড়ল না। কিন্তু যেমনটা হয় আর কি, ধনীরা আরও ধনী হতে থাকল আর গরিবরা আরও গরিব, আরও গরিব।
আস্তে আস্তে দেখা গেল, এইসব ধনীদের মধ্যে কিছু কিছু ধনী এতই ধনী হয়ে গেল যে, ধনী থাকার জন্য তাদের আর চুরি করা লাগে না বা অন্য কাউকে দিয়ে চুরি করানোও লাগে না। কিন্তু তারা যদি চুরি করা থামিয়ে দেয়, তাহলে তারা আবার গরিব হয়ে যাবে। কারন গরিবরা তো তাদের থেকে চুরি করতেই থাকবে। সুতরাং তারা গরিবস্য গরিবদের ভাড়া করা শুরু করল অন্য গরিবদের হাত থেকে নিজেদের ধনসম্পত্তি রক্ষার জন্য। এর থেকেই সৃষ্টি হল পুলিশ বাহিনি। নির্মিত হল কারাগার।

এভাবেই, সৎ মানুষটির আবির্ভাবের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই লোকজন চৌর্য্যবৃত্তি নিয়ে আলাপ করা ভুলে গেল। এখন তাদের আলাপের বিষয় শুধুই – ধনী আর দরিদ্র। তবে বলাই বাহুল্য – তারা চোর ছিল, চোরই থেকে গেল।

এই সবকিছুর মধ্যে একমাত্র সৎ মানুষ ছিলেন সেই প্রথম ব্যক্তিটি। তিনি অবশ্য খুব দ্রুতই মারা পড়েছিলেন। নিতান্তই অনাহারে।

প্রেমের চিঠি…..

ধনীর সুন্দরী দুলালী মধ্যবিত্ত পরিবারের শান্তশিষ্ট লাজুক ছেলেটিকে প্রেম নিবেদন করলে ছেলেটি এই চিটি দেয়…………..
প্রেম করোনা , প্রেম করা ভাল না, ভাল ছেলে মেয়েরা প্রেম করেনা।
নিখাদ প্রেম পাওয়া দুস্কর। প্রেম মানুষকে জ্ঞানহীন পশুর পর্যায়ে পৌছাতে পারে।

প্রেম অন্ধ, ইহা সামনে পাহাড়, পর্বত, গর্ত, আগুন, পানি, কিছুই দেখেনা। শুধু ঝাপিয়ে পড়তে জানে।
শরৎ চন্দ্র বলেছেন ‘বড় প্রেম শুধু কাছেই টানে না, ইহা দূরে ও সরিয়ে দেয়।’
প্রেম একজন আদর্শবান উজ্জল ভবিষ্যৎ সম্পন্ন ছেলেকে লিভার পঁচা মৃত্যু পথযাত্রী বানাতে পারে। কারন প্রেমে ব্যর্থ হয়ে ধুমপান, হিরোইন, লালপানি, সিডাকসিন ফাইভ, এর খপ্পরে পড়েই এমনটি হয়।
উসকো-খুসকো চুল , খোচা খোচা দাড়ি, উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টি, অসংলগ্ন কথাবার্তা, পোষাকের ভারসাম্যহীনতা- এগুলো প্রেমিক ব্যক্তির লক্ষন।
প্রেম সকালের শিশির বিন্দুর মত নির্মল নিষ্পাপ চরিত্রের যুবতীকে করে ঘর ছাড়া। সফল হলেত রাজ জোটক ( চমৎকার মিলন )। ব্যর্থ হলে গলায় কলসি বেধে পানিতে ডুব অথবা সাড়ে চার গজ রশি দিয়ে পুরনো বটবৃক্ষের শাখা কিংবা ঘরের ছাদের হুক। রশি যোগাড়ে ব্যর্থ হলে হয় শাড়ির আচল নাহয় পাঁচ টাকার পয়জন।
প্রেমের স্বীকার হয়েই যুবতীরা ধর্ষন, অপহরন, হত্যা, গুম ও এসিডে আক্রান্ত হচ্ছে।
এত কিছুর পর ও ছেলেমেয়েরা প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। কারন প্রত্যেকের জীবনে নাকি একবার হলে ও প্রেম আসে।
বিখ্যাত দার্শনিক সক্রেটিস বলেছিলেন- ‘যে ফুল ভালবাসেনা সে মানুষ হত্যা করতে পারে।’
ফুল তারাই ভালবাসে যাদের হৃদয়ে প্রেম আছে। হৃদয়ে যাদের প্রেম নেই তারা হয় দেবতা, না হয় পশু।

আসলে প্রেম তো ভাল । ইহা স্বর্গের পবিত্র উপহার।
কিন্তু আধুনিক ছেলেমেয়েরা এই পবিত্র প্রেমকে বিকৃত অর্থবোধক করে দাঁড় করিয়েছে। তারা প্রেমকে নিজেদের জৈবিক চাহিদা মেঠাবার জন্যই ব্যবহার করে থাকে।
এরশাদ সরকার যেমন সকাল সন্ধ্যা মন্ত্রী বদল করতেন ঠিক তেমনি আজকের যুবক যুবতীরা প্রেমিক-প্রেমিকা বদল করে থাকে। এজন্য সমাজে প্রেমে আসক্ত যুবক-যুবতীদের বাঁকা দৃষ্টিতে দেখা হয়।
কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন- ‘কামনা আর প্রেম এ দু’টো সম্পূর্ন আলাদা জিনিস। কামনা একটা প্রবল সাময়িক উত্তেজনা আর প্রেম হচ্ছে ধীর প্রশান্ত ও চিরন্তন। ’

কপি পোষ্ট

মাগো ওরা বলে [প্যারোডি]

ফেসবুক থেকে সংগৃহীত

“””
মাগো, ওরা বলে রামদা চাপাতি কেড়ে নেবে।

সোনার বাংলায় দাবড়ে বেড়াতে দেবে না।

বলো মা, তাই কি হয়?

তাইতো আমাদের বিষ উঠেছে।

বিষ নামিয়ে পাকা কলার কলজে ভেঙে,

তের হাজার বৈরাগীর কেশ ছিঁড়ে তবেই না গর্তে ঢুকবো।

দস্যি মা, রাগ ক’রো না।

মাত্রতো আর ক’টা মাস।

তারপর সোনার বাংলায় তেলাপোকা খুঁজে পাবে,

চামচিকা খুঁজে পাবে,

আমাদের আর পাবে না।

মা বিশ্বাস করো এ দেশের মানুষ নষ্ট হয়ে গেছে,

সবকিছু নষ্টদের অধিকারে চলে গেছে!

শুনেছি ওরা আমাদের রেপ করতে দেবে না,

টেন্ডারবাজি ভুলিয়ে দেবে।

জগন্নাথের দুষ্টু ছেলেরা বলেছে বাপের নাম ভুলিয়ে কপালে

কাকুর নাম টাঙিয়ে দেবে।

তোমার বাবার নাম ভাঙিয়ে খেতে দেবে না।

মাগো, মনে অনেক কষ্ট।

দু:খের শেষ নেই জাহাঙ্গীর নগরে।

ওরা আমাদের ক্যাম্পাসে উঠতে দেবে না।

বলো মা, কী করে মেনে নিই!

তোমার দোয়ায় সকালে একটারে ফেলে দিয়েছি।

নিশ্চয় শুনেছো এর আগে বুয়েটে, কুয়েটে দিয়েছি,

অ্যাঁ… ইয়ে করে দিয়েছি!

এখন ক্যাম্পাসে উঠলেই ওরা দৌড়ের উপ্রে রাখে।

এইতো মা, ধৈর্য্য ধরো।

আবার দুয়েকটা দেবো ফেলে,

তারপর তোমার জন্য হাসি নিয়ে তবেই না ঘরে ফিরবো।

দস্যি মা, রাগ ক’রো না।

মাত্রতো আর ক’টা মাস।

তোমার মৃত্যু কামনা করে স্টাটাস দিতে দিবো না!

“পাগলা কুত্তা আমার।”

মা পড়ে আর ভেটকি মারে, “তোদের ওপরে রাগ ক’রতে পারি!”

এইতো সেদিন তোদেরকে সতর্ক করে পিঠ চাপড়ে দিয়ে,

এটা-সেটা আর কত দোয়া করে নিশ্চিন্তে ঘুমোতে পারি।

আমার রাঙা-ভাঙ্গা ভুতু, আয় আয় তু তু!
“””

আসুন একটি চিঠি পড়ি

প্রিয় বাবা,
এ চিঠিটা যখন তুমি পড়ছ, তখন আমি তোমাদের কাছ থেকে দূরে। অ…নে…ক দূরে। না, তোমাদের প্রতি কোনো রাগ বা অভিমান থেকে আমার এই চলে যাওয়া নয়। ভয় পেয়ো না, এটা কোনো সুইসাইড নোট না। আমি বেঁচে আছি এবং থাকব তত দিন, যত দিন আমার জীবনটা উপভো
গ করতে পারব।
অনেক ভেবে দেখলাম, আমার নিজস্ব একটা জীবনদর্শন আছে এবং সেটা বাস্তবায়ন করাই সমীচীন। আমি মিতুর সঙ্গে চলে যাচ্ছি। তুমি কি মিতুকে… চেনো? চেনার অবশ্য কথ

া নয়। কখনো দেখনি। যা-ই হোক, এটা টিনএজ আবেগের বশবর্তী হয়ে নেওয়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়। হ্যাঁ, ওকে আমি ভালোবাসি, কিন্তু সেটাই এই চলে যাওয়ার একমাত্র কারণ নয়। ও শুধু আমার বন্ধু বা প্রেমিকা নয়, আমার কমরেড। আমরা একই মতাদর্শে বিশ্বাসী। আমরা এ দেশে একটা সামাজিক পরিবর্তন আনতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এর জন্য হয়তো অনেক বাধা আসবে, অনেক রক্ত ঝরাতে হবে। কিন্তু আমরা আমাদের আদর্শে অটল। এ ছাড়া নেতারা খুব ভালোভাবে আমাদের প্রশিক্ষিত করছেন।
আমার কোনো উপায় ছিল না, বাবা। অবশ্য আমার আয়ু আর বেশি দিন নেই, তাই আমাকে আর ফিরে পেলেও খুব বেশি দিনের জন্য পেতে না। মিতু ওর অজান্তে একটা ভয়াবহ অসুখ বয়ে বেড়াচ্ছিল শরীরে। আর সেই রোগটা এখন আমার মধ্যেও সংক্রমিত। জীবনের যে কয়টা দিন বাকি আছে, জেনীর ভালোবাসা আর আদর্শের সশস্ত্র লড়াই-ই হবে আমার সম্বল।
আমার আর মিতুর চিকিত্সার জন্য অনেক টাকা প্রয়োজন। ভয় নেই, বাসা থেকে কিছু নিয়ে যাচ্ছি না, তোমার কাছেও চাইব না কখনো। আমরা নিজেদের ব্যবস্থা নিজেরাই করব। আগে হেরোইন নিতাম (টের পেতে দিইনি কখনো)।
এখন ড্রাগ এর ব্যাবসা করবো । লোকাল একজন ডিলারের সঙ্গে পরিচিত হয়েছি। কোনো সমস্যা হবে না।
ভালো থেকো, বাবা। মাকেও ভালো রেখো।
বিদায়…।
বি. দ্র. মাথাটা এবার একটু ঠান্ডা করো, বাবা। প্রেশার তো বেড়ে গেছে, বুঝতেই পারছি। একটা ট্যাবলেট খেয়ে নাও। ওপরে লেখা সবকিছুই মিথ্যা— মিতু, আদর্শের সংগ্রাম—সব। কিন্তু দেখলে তো বাবা, পৃথিবীতে খারাপ কত কিছুই ঘটতে পারে! এর তুলনায় একটা সেমিস্টার পরীক্ষায় ফেল করা তো কিছুই না, তাই না? রিপোর্ট কার্ড আমার ড্রয়ারে রাখা আছে। ওটাতে সাইন করে দিও। আর মাথা পুরোপুরি ঠান্ডা হলে আমাকে জানিও, আমি চলে আসব। আমি এখন বড় মামার বাসায়।

হাসবেন নাকি??????

ছেলে: বাবা! বাবা! আমার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে! আমি সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছি!
বাবা: তাই নাকি? তা তোর চরিত্রটা কী?
ছেলে: একজন ৩০ বছরের বিবাহিত যুবকের চরিত্র। সব কটি দৃশ্যই অবশ্য আমার স্ত্রীর সঙ্গে।
বাবা: থাক, মন খারাপ করিস না বেটা। আশা করছি, পরেরবার তুই কোনো সবাক চরিত্র পাবি!

এক লোক গেছে একটা ক্যামেরার দোকানে।
লোক: ভাই, আমাকে এমন একটা ক্যামেরা দেখাতে পারেন, যেটা দিয়ে খুব দ্রুত ছবি ধারণ করা যায়?
দোকানদার: অবশ্যই আছে। এই দেখুন, এই ক্যামেরা দিয়ে আপনি একটা পড়ন্ত আপেলের ছবি তুলতে পারবেন।
লোক: না, ভাই, আমার আরও দ্রুত কাজ করে এমন ক্যামেরা চাই।
দোকানদার: আচ্ছা। তাহলে এই ক্যামেরাটা দেখুন, এটা দিয়ে আপনি একটা ছুটন্ত যুদ্ধবিমানের ছবি তুলতে পারবেন।
লোক: নাহ্! আমার আরও দ্রুত কিছু চাই!
দোকানদার: আপনি কেমন ছবি তুলতে চান, বলুন তো?
লোক: আসলে, আমার ছেলেটা একটা আস্ত বাচাল। ও মুখ বন্ধ করে আছে, এমন একটা ছবি তুলতে চাই!

শিক্ষক: ব্যঞ্জন বর্ণে কতটি অক্ষর আছে?
ছাত্র: নয়টি।
শিক্ষক: নয়টি?
ছাত্র: ব য আ ন জ ন ব ণ র —নয়টিই তো!

দুই অনুবাদক একটা নৌকায় করে ভিনদেশে যাচ্ছেন—
সাঁতার জানেন?
জানি না, তবে নয়টা ভাষা জানি। ডুবে গেলে নয় ভাষায় সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে পারব!

এক সিলেটি ছাত্রকে শিক্ষক জিজ্ঞাসা করছেঃ
শিক্ষকঃ বলতো বাবা, Horse বাংলা কি?
ছাত্রঃ গুরা।
শিক্ষকঃ গুরা!! আচ্ছা, Turn বাংলা কি?
ছাত্রঃ গুরা।
শিক্ষক কিছুটা রেগে বললোঃ তাহলে Powder মানে কি???
ছাত্রঃ গুরা।
শিক্ষক পুরো রেগে গিয়ে বললোঃ সব কিছুই কি গুরা নাকি???
ছাত্রঃ না স্যার, একটা লাফাইন্না গুরা, একটা মুরাইন্না গুরা, আর শেষের টা গুরা-গুরা